প্রতিটি শিশু নিজের গতিতে বেড়ে ওঠে। তবে কিছু প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো। কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন, জেনে নিন।
প্রতিটি শিশু নিজের গতিতে বেড়ে ওঠে। তবুও যোগাযোগ, সামাজিক মেলামেশা ও আচরণে কিছু প্রাথমিক পার্থক্য অটিজমের লক্ষণ হতে পারে। শুরুতেই এসব লক্ষণ চিহ্নিত করা গেলে শিশু দ্রুত সহায়তা পায়, আর এই সময়ের সহায়তাই সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হয়।
যে লক্ষণগুলো খেয়াল করবেন
- চোখে চোখ রাখা খুব কম, বা হাসিতে সাড়া না দেওয়া
- প্রায় ১২ মাস বয়সেও নাম ধরে ডাকলে সাড়া না দেওয়া
- আঙুল দিয়ে দেখানো, হাত নাড়ানো বা কিছু দেখানোর মতো ইশারা কম করা
- কথা বলতে দেরি হওয়া, বা আগে শেখা শব্দ ভুলে যাওয়া
- হাত ঝাঁকানো, দোলা বা ঘোরার মতো একই আচরণ বারবার করা
- শব্দ, আলো, স্পর্শ বা নির্দিষ্ট খাবারে অস্বাভাবিক তীব্র প্রতিক্রিয়া
- দৈনন্দিন রুটিনে সামান্য পরিবর্তনেও খুব অস্থির হয়ে পড়া
এরপর কী করবেন
এক-দুটি লক্ষণ দেখা দিলেই শিশুর অটিজম আছে, এমন নয়। তবে দুশ্চিন্তা থাকলে সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হলো একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে বিকাশজনিত অ্যাসেসমেন্ট করানো। এতে শিশুর সক্ষমতা ও প্রয়োজনের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায় এবং কোন সহায়তা কাজে আসবে, তার পরিকল্পনা করা সহজ হয়।
যেকোনো প্রশ্নে আমাদের দল আপনার পাশে আছে। আপনার উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা করতে একটি অ্যাসেসমেন্টের সময় নিন অথবা আমাদের ফোন করুন।
শিশুকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে?
আমাদের দল আপনার কথা শুনতে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে সাহায্য করতে প্রস্তুত।